আমেরিকার প্লাস্টিক বর্জ্য অনুন্নত দেশগুলোতে, বিপাকে বাংলাদেশ

প্লাস্টিকের সামগ্রী মাটিতে মিশে যায় না, এর একাংশ পুনর্ব্যবহারযোগ্য নয়, তাই ক্রমশ তা বর্জ্য হিসেবে জমা হচ্ছে লোকালয়ের বুকে

সভ্যতার অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে বিজ্ঞান মানু্ষকে অনেক কিছু উপহার দিয়েছে, যা জীবনযাপনকে করেছে সহজতর। কিন্তু বিজ্ঞানের সেই আশীর্বাদ মানুষের বিবেচনার অভাবে পরিণত হয়েছে অভিশাপে। প্লাস্টিক বর্জ্য তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ। বিশেষ করে অনুন্নত দেশগুলো এই বর্জ্য নিয়ে বেশ বিপাকে পড়েছে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। নিজেদের ফেলে দেয়া বিপুল পরিমাণ প্লাস্টিক বর্জ্য ছাড়াও উন্নত বিশ্বের প্লাস্টিক বর্জ্যের চাপও তাদের নিতে হচ্ছে। যা অশনি সংকেতও বটে!

ধরা যাক আমেরিকার কথা। প্রথম দিকে যুক্তরাষ্ট্রের বেশিরভাগ প্লাস্টিক বর্জ্যের গন্তব্য ছিল চীন। দেশটিতে মার্কিনী প্লাস্টিক বর্জ্য নিষিদ্ধ করা হলে অনুন্নত দেশগুলোর ওপর নজর পড়ে যুক্তরাষ্ট্রের। এই দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ, লাওস, ইথিওপিয়া এবং সেনেগাল রয়েছে। এ দেশগুলোতে শ্রমের মূল্য অসম্ভব রকমের সস্তা হওয়ায় রিসাইক্লিং করার জন্য মার্কিনী প্লাস্টিকের গন্তব্যস্থল এই দেশগুলোতেই হয়ে থাকে। যার পরিণতিতে এসব দেশের জনস্বাস্থ্য এবং পরিবেশ গুরুতর ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।

ব্রিটেনের প্রভাবশালী পত্রিকা গার্ডিয়ানের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এই বিষয়ে নানান তথ্য পাওয়া যায়। তাতে দেখা গেছে, প্রতি বছর জাহাজে করে হাজার হাজার টন প্লাস্টিক বর্জ্য যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দরিদ্র ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে পাঠানো হয়।

প্লাস্টিক যখন আশ্চর্য বস্তু থেকে চিন্তার বিষয়

প্লাস্টিক দিয়ে কোন জিনিস তৈরি করা যায় না? দারুণ একটা প্রশ্ন হতে পারে এটি। চিরুনি থেকে শুরু করে বিমানের চেয়ার—সবকিছুতেই প্লাস্টিক এক আশ্চর্য বস্তু হিসেবে কাজ করছে। রেডিমেট গার্মেন্টস -এর আনুষঙ্গিক যন্ত্রাংশ (যেমন: প্যাকেজিং উপাদান, হ্যাঙ্গার, ব্যাগ ইত্যাদি); গৃহস্থালির কাজ ( যেমন: টেবিল ক্লথ; বালতি, জগ, কন্টেইনার, গ্লাস-প্লেট ইত্যাদি); আসবাব পত্র (যেমন: চেয়ার, টোল-টেবিল, শো-পিস, কিচেন তাক ইত্যাদি); সকল প্রকার ফুড-নন ফুড প্যাকেজিং; স্বাস্থ্যসেবা (যেমন: টুথ ব্রাশ, সোপ কেস, ব্লাড ব্যাগ, স্যালাইন সেট, ওষুধের মোড়ক ইত্যাদি); বিল্ডিং সামগ্রী নির্মাণ (যেমন: প্লাস্টিক পাইপ, দরজা, টয়লেট ফ্ল্যাশ ইত্যাদি); কৃষিকাজ সামগ্রী (যেমন: সেচের পাইপ, প্লাস্টিক ফিল্ম ইত্যাদি); ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী (যেমন: ইলেকট্রিক ক্যাবল-তার, ইলেকট্রিক সুইচ-বোর্ড,বিভিন্ন ইলেকট্রিক যন্ত্রাংশ ইত্যাদি) এবং শিল্প সামগ্রী’র বিভিন্নমুখী কাজ প্লাস্টিক ছাড়া আজ কল্পনাও করা যায় না।

ব্যাপকভাবে ভোক্তাদের ব্যবহারের জন্য ১৯৫০-এর দিকে প্লাস্টিকের প্রচলন শুরু হয়। অথচ বর্তমানে বিশ্বজুড়ে এটি এতোটাই ব্যবহৃত হয় যে ধারণা করা হয়, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মহাসাগর প্রশান্ত মহাসাগরের প্লাংকটন (জলজ বাস্তুতন্ত্রের ক্ষুদ্র অথবা আণুবীক্ষণিক জীব) এর চেয়ে ভাসমান প্লাস্টিক বর্জ্যের সংখ্যাই বেশি।

যে জীবন প্লাস্টিকের!

বর্তমানে এই প্লাস্টিকই পরিবেশের চরম সর্বনাশের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন রাস্তায় বেরোলেই প্লাস্টিকের বর্জ্য দেখতে পাওয়া যায়। এমনকি সাগর মহাসাগরও প্লাস্টিকের কবল থেকে রেহাই পাচ্ছে না। এই প্লাস্টিকের ভয়াবহতা এতই তীব্র যে সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, প্রতি সপ্তাহে বিশ্বের প্রতিটি মানুষ কমপক্ষে এক ক্রেডিট কার্ডের সমপরিমাণ প্লাস্টিক গ্রহণ করে থাকে।

২০১৮ সালে ৬৮ হাজার শিপিং কনটেইনারের সমপরিমাণ আমেরিকান প্লাস্টিক বর্জ্য যুক্তরাষ্ট্র থেকে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে রপ্তানি করা হয়। এই দেশগুলো নিজেদের প্লাস্টিক বর্জ্য সামলাতেই হিমশিম খাচ্ছে। তার ওপর বোঝা হিসেবে মার্কিনীদের প্লাস্টিক বর্জ্যও তাদের ঘাড়ের উপর চাপানো হচ্ছে।

চীন-হংকং কেন সরে এসেছে?

যুক্তরাষ্ট্রের প্লাস্টিক বর্জ্যের অর্ধেকের বেশি চীন এবং হংকং এ রিসাইকেল করা হতো। এসব বর্জ্য রিসাইকেল তথা পুনরায় ব্যবহারযোগ্য হিসেবে গড়ে তোলার জন্য চীন এবং হংকং এ বিশাল শিল্প গড়ে উঠেছিল। চীনারা মার্কিন প্লাস্টিক বর্জ্য রিসাইকেল করে তা দিয়ে প্লাস্টিকের নতুন পণ্য তৈরি করতো। এসব পণ্য পশ্চিমা দেশে রপ্তানি করা হতো। কিন্তু মার্কিনীদের ফেলা দেয়া প্লাস্টিক বর্জ্য বেশিরভাগ সময়ই দূষিত ছিল কিংবা তা রিসাইকেল করার মত ছিল না। ফলে এসব প্লাস্টিক বর্জ্য দিয়ে চীনের বেশিরভাগ অঞ্চলই আবর্জনায় পূর্ণ হয়ে যাচ্ছিল। পরিবেশ এবং স্বাস্থ্য নিয়ে চীনাদের ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের কারণে ২০১৭ সালে চীন সরকার পরিস্কার পরিচ্ছন্ন প্লাস্টিক বর্জ্য ছাড়া বেশিরভাগ প্লাস্টিক বর্জ্যই দেশটিতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

আমেরিকার প্লাস্টিক বর্জ্য কোথায় যায়

মার্কিন প্লাস্টিক বর্জ্যের জন্য চীনের দরজা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর এসব বর্জ্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এক দেশ থেকে অন্য দেশে পিংপং বলের মত ঘুরতে থাকে। শিপিং রেকর্ড এবং যুক্তরাষ্ট্রের পরিসংখ্যান ব্যুরোর রপ্তানি ডাটা বিশ্লেষণ করে গার্ডিয়ান জানতে পেরেছে, যুক্তরাষ্ট্র এখনো প্রতি বছর ১ মিলিয়ন মেট্রিক টনের বেশি প্লাস্টিক বর্জ্য জাহাজে করে বিভিন্ন দেশে পাঠিয়ে থাকে।

এসব দেশের বেশিরভাগই খুব গরীব দেশ হিসেবে পরিচিত। জর্জিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক জেনা জামবকের নেতৃত্বে পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, বর্তমানে মার্কিন প্লাস্টিক বর্জ্যের বৃহত্তম গ্রহীতা মালয়েশিয়া তাদের নিজেদের প্লাস্টিক বর্জ্যের শতকরা ৫৫ ভাগ ঠিকমত ব্যবস্থাপনা করতে পারছে না। এর অর্থ হলো এসব বর্জ্য ঠিকমত রিসাইকেল না করে গর্ত করে ভরিয়ে ফেলা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, চীনে মার্কিন প্লাস্টিক বর্জ্য নিষিদ্ধ হয়ে যাওয়ার পরে বর্তমানে মালয়েশিয়ায় সবচেয়ে বেশি বর্জ্য পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ইন্দোনেশিয়া এবং ভিয়েতনামও তাদের নিজেদের প্লাস্টিক বর্জ্যের ব্যবস্থাপনা সঠিকভাবে করতে পারছে না। এক্ষেত্রে দেশ দুটি যথাক্রমে শতকরা ৮১ এবং ৮৬ ভাগ প্লাস্টিক বর্জ্যের ভুল ব্যবস্থাপনা করছে।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ভেসে আসছে প্লাস্টিক বর্জ্য

কক্সবাজারে ভেসে আসছে প্লাস্টিক বর্জ্য!

সেভ দ্যা ন্যাচার অব বাংলাদেশের সূত্রে জানা যায়, ১১ জুন বিকেল থেকে বাংলাদেশের কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ভেসে আসছে প্লাস্টিক বর্জ্য, ছেঁড়া জাল ও জালের সঙ্গে সামুদ্রিক কাছিম। তবে এত বিপুল পরিমাণ জাল ও বর্জ্য কোথা থেকে আসছে তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

উদ্ধার কাজে থাকা সেভ দ্যা ন্যাচর অব বাংলাদেশ কক্সবাজার জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক পারভেজ আহমেদ জানান, দড়িয়া নগর পার্ক থেকে হিমছড়ি পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে শত শত টন হবে প্লাস্টিক বর্জ্য। যদিও এটা শধু ধারণা করে বলা। শত শত মানুষ প্ল্যাস্টিক সংগ্রহ করছে। সঙ্গে আছে জাল, গাছের গুড়িসহ নানা বর্জ্য। আমরা কাছিমগুলোকে অবমুক্ত করছি। মূলত এদের রক্ষা করার জন্য আমরা স্পটে আছি। তবে প্রশাসনের কেউ নেই।

সেভ দ্যা ন্যাচার অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আ ন ম মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, এত বর্জ্য কোথা থেকে এসেছে তা আমাদের জানা নেই। আমাদের ২০০ নটিক্যাল সমুদ্র সীমায় পর্যাপ্ত নজরদারি নেই। বিদেশি জাহাজ থেকে আমাদের জলসীমায় বর্জ্য ফেলার অভিযোগ থাকলেও সরকার কখনও তাদের শনাক্ত বা শাস্তির আওতায় আনতে পারেনি। সমুদ্র দূষণ ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশন (আইএমও) কনভেনশনের লঙ্ঘন। তাই আমাদের এখন সমুদ্র কমিশন গঠন করে সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য ও পরিচ্ছন্নতা রক্ষা করা উচিৎ।

বিপাকে ভিয়েতনাম

ভিয়েতনামের মিনহ খাই গ্রামের কথা উল্লেখ করা যেতে পারে। রাজধানী হ্যানয়ের কাছে নদীর বদ্বীপে অবস্থিত এই গ্রাম। এটি ভিয়েতনামের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কুটির শিল্পের মূল কেন্দ্র। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্লাস্টিক বর্জ্য এসে এখানে জমা হয়। ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র ৮৩ হাজার টন প্লাস্টিক বর্জ্য রিসাইক্লিং করার জন্য ভিয়েতনামে পাঠিয়েছে।

৬১ বছর বয়সি নারী নগুয়েন থি হং থাম এমন একটি স্থানে থাকেন যেটি নোংরা, অপরিচ্ছন্ন আমেরিকান প্লাস্টিক বর্জ্যে পরিপূর্ণ। তার বাড়ির বাইরে মার্কিনী ব্র্যান্ড চিটোস চিপসের প্যাকেট, ওয়ালমার্টের প্লাস্টিক বর্জ্য, নিউজার্সির সুপার মার্কেট চেইন শপ রাইটের প্লাস্টিকের ব্যাগ পড়ে রয়েছে। রিসাইকেল করার সুবিধার্থে প্লাস্টিক এসব বর্জ্যকে শ্রেণীভেদে সাজানোর জন্য নগুয়েন থি হংকে প্রতিদিন ৬.৫০ ডলার দেয়া হয়ে থাকে।

প্লাস্টিক বর্জ্য নিয়ে বেশ বিপাকে অনেক দেশ

নগুয়েন থি হং থাম বলেন, ‘আমরা এসব প্লাস্টিকের ধোঁয়া নিয়ে সত্যিই খুব ভীত। এখানকার ভূগর্ভস্থ পানি পান করার সাহস আমাদের নেই। আমাদের পর্যাপ্ত অর্থ নেই সেজন্য এখানে কাজ করা ছাড়া আমাদের আর কোন গতি নেই।’

বিশ্ব বাণিজ্যে প্লাস্টিক বর্জ্যের গুরুত্ব

বিশ্ব বাণিজ্যে প্লাস্টিক বর্জ্যের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এ কারণেই যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা ধনী দেশগুলোর প্লাস্টিক বর্জ্য চলে যাচ্ছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে। একটি বাণিজ্য নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এসব বর্জ্য সাগর, মহাসাগর পাড়ি দিয়ে বিভিন্ন মহাদেশে পাড়ি জমাচ্ছে। এই বাণিজ্য নেটওয়ার্ক বেশ জটিল। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এতে নীতি নৈতিকতার কোনো বালাই থাকে না।

মূলত প্লাস্টিক বর্জ্য একটি পণ্য। এটির রিসাইক্লিং দালালরা বিদেশে এমনসব ক্রেতার সন্ধান করে যারা প্লাস্টিক গলিয়ে, এগুলোকে টুকরো টুকরো করে নতুন কোন পণ্য তৈরি করতে পারে। হংকংভিত্তিক ব্যবসায়ী স্টিভ অং রিসাইক্লিং ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তিনি জানান, যদি কেউ সঠিকভাবে প্লাস্টিক রিসাইক্লিং করে তাহলে সে পরিবেশ রক্ষা করে। কিন্তু যদি কেউ প্লাস্টিক বর্জ্যের রিসাইকেল সঠিকভাবে করতে পারে না সে পরিবেশ ধ্বংস করে ফেলে। তবে এক্ষেত্রে মুনাফার দিকটাকেই বেশি গুরুত্ব দেয়া হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এমনকি যেসব দেশে প্লাস্টিক বর্জ্য আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে সেসব দেশেও চোরাচালানির মাধ্যমে প্লাস্টিক বর্জ্য সরবরাহ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘এসব দেশেও প্লাস্টিক পুনরায় ব্যবহারের কারখানা গড়ে তোলা হয়েছে। কিন্তু তাদের পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকার কারণে তারা চোরাচালানির মাধ্যমে প্লাস্টিক সংগ্রহ করে। এমনকি এটা অবৈধ জানা সত্ত্বেও তারা প্লাস্টিক সংগ্রহের জন্য এখনো এই পথেই হাঁটছে।’

যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যারোলিনা ইউনিভার্সিটির শিক্ষক অ্যান্ড্রু স্পাইসার বলেন, ‘নিজেদের বর্জ্য নিয়ে কি হচ্ছে সে ব্যাপারে মানুষ কিছুই জানে না। আন্তর্জাতিক রিসাইক্লিং বাণিজ্য এটিকে অর্থ তৈরির একটি উপায় হিসেবেই দেখছে। এই ব্যাপারে বৈশ্বিক কোন নিয়ম নীতি নেই। কেবলমাত্র দীর্ঘ, নোংরা একটি মার্কেট রয়েছে। আর এই মার্কেট কেবলমাত্র কিছু কোম্পানিকে নিয়ম নীতিহীন এই বাণিজ্যের ফায়দা নেয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে।’

একটি মন্তব্য করে যান

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন